সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সরকারবিরোধী প্রচার ও উসকানি: ২ সাবেক সেনা কর্মকর্তা রিমান্ডে

ডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি, সরকারবিরোধী প্রচার ও নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগে গ্রেপ্তার দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) বিজয় দেবাশীষ নারায়ণ পাল (৪৭) ও লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরা (৪৩)। গত রোববার দিবাগত রাতে রাজধানীর পল্লবী ও বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার: জাহেদ উর রহমান

ডিবির তদন্ত ও মামলার এজাহার অনুযায়ী, এই দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তা ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টার্স আলফা নম্বর # ১’ ও ‘বিবিএম ট্রান্সপারেন্সি’ নামের দুটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে সরকারবিরোধী তৎপরতার জন্য তহবিল সংগ্রহ করতেন।

পাশাপাশি ‘কালআজকাল.কম’ নামের একটি ফেসবুক পেজ এবং নিজেদের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সহিংসতায় উসকানিমূলক কনটেন্ট ছড়াতেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত ‘ইউনিটি কেয়ার’ ও ‘পাবলিক পার্লামেন্ট’ নামের দুটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখতেন তারা।

এর মূল উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করা এবং রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতা পরিচালনা করা। রিমান্ড আবেদনে ২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর নির্বাচনের আগে কাজী গুলশান আরার গণভবনে গিয়ে শেখ হাসিনার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ এবং পরবর্তীতে সহযোগীদের নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদ’ গঠনের প্রসঙ্গও উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় রাজধানীর পল্লবী থানায় ডিবির পরিদর্শক মো. আলী আকবর বাদী হয়ে দণ্ডবিধি, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের বিভিন্ন ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় এই দুই কর্মকর্তাসহ আরও ১০১ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। অবৈধ অর্থায়নের উৎস এবং দেশি-বিদেশি গুপ্তচরদের শনাক্ত করতে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গতকাল সোমবার বিকেলে আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, আসামিরা দেশকে অস্থিতিশীল করতে পতিত সরকারের নেতাকর্মী ও গুপ্তচরদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, টকশো বা ফেসবুকে সুনির্দিষ্ট কী মন্তব্য করে তারা দেশকে অস্থিতিশীল করেছেন বা তাদের অপরাধ কী, রিমান্ড আবেদনে তার কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তাদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম
নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৭১২ ৮৮৬ ৫০৩
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: